গ্রীষ্মের রূপচর্চা

প্রচন্ড গরমেও সজীব থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মুখটা সুন্দরভাবে পরিষ্কার করা। সারা দিনে বেশ কয়েকবার ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের ধরন অনুযায়ী পরিষ্কারক উপাদান বেছে নিন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলমুক্ত পরিষ্কারক, শুষ্ক ত্বকে পানি ও গ্লিসারিনযুক্ত পরিষ্কারক এবং স্বাভাবিক ত্বকের জন্য সাধারণ পরিষ্কারক বেছে নিন। বাইরে বেরোনোর আগে রোদের তাপ থেকে ত্বককে বাঁচাতে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন। খুব তৈলাক্ত ত্বক হলে সানব্লক পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। সানস্ক্রিন লোশন ও সানব্লক পাউডারের এসপিএফ যেন ৩০-এর বেশি হয়, তা নিশ্চিত হয়ে নিন। বাইরে থাকলে তিন ঘণ্টা পর পর সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করতে ভুল করবেন না।

গরমে ব্রণের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্রণ এড়াতে সপ্তাহে দু-তিনবার চিরতার পানি এবং দু-তিনটি কাঁচা হলুদ ও আখের গুড় খাওয়া উচিত। সব সময় মুখ পরিষ্কার রাখা উচিত। নিমপাতা, হলুদ, চিরতা এবং মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।

অতিরিক্ত ঘাম রোধ করতে কিছু কালো এলাচ গুঁড়ো করে ফ্রিজে রেখে দিন। ১০টি তেজপাতা সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে এই পানির সঙ্গে এলাচের গুঁড়ো ও মুলতানি মাটি মিলিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে গোসলের আগে ব্যবহার করুন। অথবা গোসলের আগে গোলাপজল দিয়ে মুলতানি মাটির প্যাক করে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন। অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে শরীর থেকে মিনারেল বের হয়ে যায়। এ জন্য দুর্বল লাগে। সুতরাং শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন টকদই, তরমুজ, বেলের শরবত এবং পুঁদিনা পাতার শরবত খেতে পারেন।

গ্রীষ্মে চুল খুবই শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। এর প্রতিকার করতে সপ্তাহে তিনবার চুলে তেল ম্যাসাজ করে মৃদু ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ফিরতে ক্লিক করুন :