বসন্তের রূপচর্চা

বসন্তের সময় প্রচুর পরিমাণে ধুলোবালি থাকে আবহাওয়ায়, যা ত্বকের পাশাপাশি আমাদের চুলেরও অনেক বেশি ক্ষতি করে। এছাড়া রোদের তীব্রতা ও বাতাসের শুষ্কতা চুলের আর্দ্রতা পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। ফলে চুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একেবারে নষ্ট হয়ে চুল হয়ে যায় রুক্ষ। ধুলোবালি ত্বকে আটকে গিয়ে সৃষ্টি করে ব্রণের। এই সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন টমেটো ফেইস প্যাক। এসময় ত্বক ফেটে যাওয়া ও কালো হওয়া সমস্যার জন্য ব্যবহার করুন কাঠবাদাম এবং মধুর ফেইসপ্যাক।
যত্ন না নিলে দ্রুত ত্বক ফেটে যায় এবং ত্বক রোদের সংস্পর্শে এলেই পুড়ে যায়। এই সময়ে ত্বকের যত্ন নিতে ব্যবহার করুন হলুদের ফেইসপ্যাক।

যে-কোনো টকফল অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে ১ ঘণ্টা পরপর খাওয়ার অভ্যাস করুন। খালি পেটে খাওয়ার অভ্যাস করুন। চাইলে হালকা খাবার খেতে পারেন। টাটকা মেহেদি পাতার রস হাত ও পায়ের তালুতে লাগালে জ্বালা-পোড়া কমবে।
যাদের হাতের তালু ঘামে তারা তেজপাতা জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে কিছুক্ষণ হাত ভিজিয়ে রাখলে ঘাম কমবে। হাতের যত্নের জন্য প্রথমে হালকা কুসুম গরম পানিতে লবণ ও কয়েকফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে হাত ভিজিয়ে রাখুন। বাফার দিয়ে ঘষলে নখের গ্লেস ফিরে আসবে। এছাড়া যাদের নখ ভাঙার সমস্যা আছে তারা নখে রসুন ঘষলে অনেক উপকার পাবেন।

যে কোনো ধরনের কেমিক্যাল সমৃদ্ধ কন্ডিশনারের চাইতে বেশি কার্যকরী ভিনেগার। চুল ভালো করে ধুয়ে নিয়ে চুলে ব্যবহার করুন ভিনেগার। মাথার ত্বক এবং পুরো চুলে ভালো করে ভিনেগার লাগিয়ে ২/৩ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই কাজটি সপ্তাহে ১ দিন করবেন। ডিমের প্রোটিন চুলের উজ্জলতা বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকর। বসন্তের এই সময় চুলের সুস্থতার জন্য মাথার ত্বককে দিন ডিমের মতো পুষ্টিকর খাবার। ১টি ডিমের কুসুম, ৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চুলে লাগান। একটি শাওয়ার ক্যাপ কিংবা কাপড় দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর মৃদু শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই কাজটি সপ্তাহে ২/৩ দিন করুন। চুলের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

অতিরিক্ত রোদ সবার জন্যই ক্ষতিকর, আছে সান প্রটেকশন ক্রিম। অবশ্যই বের হওয়ার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণে এটা ব্যবহার করতে হবে। ব্যাগে সাধারণ টিস্যু কিংবা ওয়েট টিস্যু রাখা যেতে পারে। যাতে মাঝে মাঝে মুখটা ক্লিন করা যায়।

ফিরতে ক্লিক করুন :